নিরাপত্তার জন্য শুধু যুক্তরাষ্ট্র বা অন্যান্য আন্তর্জাতিক জোটের ওপর নির্ভর না করে উপসাগরীয় দেশগুলোকে আরও স্বনির্ভর হতে হবে বলে মন্তব্য করেছে কাতার।
সোমবার সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) রাজধানী আবুধাবিতে অনুষ্ঠিত হিলি ফোরামে কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, “উপসাগরীয় অঞ্চলে আন্তর্জাতিক বাহিনীর উপস্থিতি এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কৌশলগত জোট থাকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু তা যথেষ্ট নয়।”
কাতারের মুখপাত্র আরও বলেন, “নিরাপত্তার ক্ষেত্রে স্বনির্ভর হওয়াই সামনে এগোনোর একমাত্র পথ। আমাদের অংশীদারদের প্রয়োজন, মিত্রদেরও প্রয়োজন। কিন্তু নিরাপত্তার জন্য আমরা কেবল তাদের ওপর নির্ভর করতে পারি না।”
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধ বন্ধে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে কাতার। একই সময়ে দেশটি ইরানের হামলারও শিকার হয়েছে, বিশেষ করে জ্বালানি অবকাঠামোয় হামলার ঘটনা ঘটেছে।
পশ্চিম এশিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় সামরিক ঘাঁটি রয়েছে কাতারে। যুদ্ধের সময় ইরান যুক্তরাষ্ট্রের হামলার জবাবে মার্কিন সামরিক স্থাপনা এবং অঞ্চলটির বিভিন্ন দেশের জ্বালানি অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে।
ছয় মাস ধরে চলা যুদ্ধের পর বর্তমানে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে অচলাবস্থা চলছে। ইরান হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে বাধা সৃষ্টি করছে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বন্দরগুলো ঘিরে পাল্টা অবরোধ আরও জোরদার করছে।
গত মাসে দুই দেশের মধ্যে মধ্যস্থতার প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে কাতারের প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুর রহমান আল থানি তেহরান সফর করেন।
এর আগে ইরান ও ওমান জানিয়েছিল, হরমুজ প্রণালিতে অস্থায়ী নৌপথ চালু এবং সমুদ্র থেকে মাইন অপসারণের বিষয়ে তারা আলোচনা করছে।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।
আপনার মন্তব্য লিখুন