মানবাধিকার সুরক্ষায় জাতিসংঘের যেকোনো ইতিবাচক প্রস্তাব বা পরামর্শ আইন মন্ত্রণালয় পর্যালোচনা করবে। দেশের জন্য উপকারী হলে তা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশনের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের নিরাপত্তা বাহিনীর স্বাধীন তদারকির প্রস্তাবের বিষয়ে জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, গত ছয় মাসে দেশে গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠার পর বিচার বিভাগ স্বাধীন ও নিরপেক্ষভাবে কাজ করছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের (আইসিটি) মামলাগুলোও স্বচ্ছতার সঙ্গে পরিচালিত হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি।
শামা ওবায়েদ বলেন, গত ১৭ বছরে দেশে মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেছে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া, তারেক রহমানসহ বিএনপির নেতাকর্মী, সাংবাদিক ও সাধারণ মানুষ নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলেও দাবি করেন তিনি।
তিনি বলেন, বর্তমান সরকার দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় বদ্ধপরিকর। মানবাধিকার সুরক্ষায় জাতিসংঘের যেকোনো ইতিবাচক প্রস্তাব বা পরামর্শ আইন মন্ত্রণালয় পর্যালোচনা করবে। দেশের স্বার্থে উপকারী মনে হলে তা অবশ্যই গ্রহণ করা হবে।
শিল্পী বাঁধনকে আইনি সহায়তা
সাংবাদিকদের আরেক প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জানান, মিলান কনস্যুলেট ও রোমে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের কর্মকর্তারা এরই মধ্যে শিল্পী বাঁধনের সঙ্গে দেখা করেছেন। মামলা দায়েরসহ প্রয়োজনীয় সব ধরনের আইনি সহায়তা দেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
প্রবাসীদের সতর্ক করে শামা ওবায়েদ বলেন, বিদেশে অবস্থানকালে প্রত্যেক বাংলাদেশিকে সংশ্লিষ্ট দেশের আইন ও নিয়মকানুন মেনে চলতে হবে। যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য কিংবা ইতালি—যেখানেই থাকুন না কেন, স্থানীয় আইন মেনে চলা জরুরি।
তিনি আরও বলেন, বিদেশে যেকোনো ধরনের ‘মব ভায়োলেন্স’ বা অরাজক কর্মকাণ্ড দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করে। সরকার এ ধরনের ঘটনার তীব্র নিন্দা জানায়।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।
আপনার মন্তব্য লিখুন