বর্তমান সরকার গণমাধ্যমের পূর্ণ স্বাধীনতার পক্ষে থাকলেও সেই স্বাধীনতা কোনোভাবেই স্বেচ্ছাচারিতার সুযোগ নয় বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব এ এ এম সালেহ শিবলী।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) আয়োজিত ‘মিট দ্য প্রেস’ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
সালেহ শিবলী বলেন, গণমাধ্যমের স্বাধীনতার সীমা নির্ধারণের দায়িত্ব সরকার বা জনগণের নয়। এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেওয়ার এখতিয়ার আদালতের।
তথ্যপ্রযুক্তির এই সময়ে গুজব, গুঞ্জন ও অপপ্রচার ঠেকাতে গণমাধ্যমকে আরও দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানান তিনি। প্রতিটি গণমাধ্যমের নিজস্ব উদ্যোগে নিয়মতান্ত্রিক ‘ফ্যাক্ট চেকিং’ বা তথ্য যাচাইয়ের ব্যবস্থা থাকা প্রয়োজন বলেও মন্তব্য করেন প্রেস সচিব।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের আসন্ন অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অংশগ্রহণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ঐতিহ্যগত ধারাবাহিকতা বজায় রেখে এবার বিশ্বনেতাদের উদ্দেশে ভাষণ দিতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী। বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর এই অংশগ্রহণ দেশের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ।
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ২১ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়বেন। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে তিনি বাংলাদেশের নতুন দৃষ্টিভঙ্গি ও ভবিষ্যৎ রূপরেখা তুলে ধরবেন।
দেশের অর্থনৈতিক ও প্রশাসনিক পরিস্থিতি তুলে ধরে সালেহ শিবলী বলেন, অতীতের ভঙ্গুর প্রশাসনিক কাঠামো এবং চলমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি মোকাবিলা করে সরকার দেশকে এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে।
তিনি আরও বলেন, অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ঝুঁকি মোকাবিলা করে বাংলাদেশ এখন বিদেশি বিনিয়োগের জন্য নিরাপদ ও স্থিতিশীল রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।
আপনার মন্তব্য লিখুন