জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনে দেওয়া বক্তব্যে ইরানের সামনে দুটি ভিন্ন পথের কথা তুলে ধরেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তিতে পৌঁছে পুনর্গঠনের সুযোগ, অন্যদিকে চুক্তি না হলে সম্ভাব্য ভয়াবহ সংঘাতের মুখে পড়ার সতর্কতা দিয়েছেন তিনি।
নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে বক্তব্য দেওয়ার সময় ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে সমঝোতার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন। একই সঙ্গে চুক্তিতে রাজি না হলে দেশটির জন্য কঠিন পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলেও সতর্ক করেন।
ট্রাম্প বলেন, ‘আমি কী তাদের এমন এক নরকের দিকে ঠেলে দেব, যেখানে টিকে থাকার কোনো সুযোগ থাকবে না। এতে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য মহান হওয়ারও কোনো আশা থাকবে না।’
তবে কঠোর সতর্কতার মধ্যেও ইরানের সঙ্গে শেষ পর্যন্ত একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর বিষয়ে আশাবাদ প্রকাশ করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তাঁর ভাষ্য, নির্বাচন শেষ হওয়ার পরপরই দুই দেশের মধ্যে চুক্তি হতে পারে।
ট্রাম্প বলেন, ‘তেহরানের জন্য চুক্তিতে রাজি না হওয়ার কোনো যৌক্তিকতা নেই।’
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা বাড়ার পাশাপাশি দুই দেশের আলোচনা স্থবির হয়ে পড়ায় নতুন করে কূটনৈতিক উদ্যোগের বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে আলোচনা আবার শুরু করা সম্ভব হবে কি না, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
ট্রাম্পের বক্তব্যে একদিকে ইরানের সঙ্গে সমঝোতার সম্ভাবনার কথা উঠে এসেছে, অন্যদিকে চুক্তিতে পৌঁছাতে ব্যর্থ হলে কঠোর পরিণতির সতর্কতাও রয়েছে। ফলে তাঁর এই বক্তব্যকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সম্পর্কের ভবিষ্যৎ গতিপথ নিয়েও নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।
আপনার মন্তব্য লিখুন