স্বাস্থ্য ক্যাডারে ৫ হাজার চিকিৎসক নিয়োগ দিতে ৫১তম বিশেষ বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে পিএসসির ওয়েবসাইটে এ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়।
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, বিসিএস স্বাস্থ্য ক্যাডারের সহকারী সার্জন পদে ৪ হাজার ৭০০ জন এবং সহকারী ডেন্টাল সার্জন পদে ৩০০ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। সহকারী সার্জন পদে আবেদনের জন্য এমবিবিএস বা সমমানের ডিগ্রি এবং সহকারী ডেন্টাল সার্জন পদে বিডিএস বা সমমানের ডিগ্রি থাকতে হবে।
আগামী ১ অক্টোবর সকাল ১০টা থেকে অনলাইনে আবেদন গ্রহণ শুরু হবে। আবেদন করা যাবে ২৫ অক্টোবর সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ইউজার আইডি পাওয়া প্রার্থীরা পরবর্তী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে আবেদন ফি পরিশোধ করতে পারবেন।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালের ১ সেপ্টেম্বর যাদের বয়স ২১ থেকে ৩২ বছরের মধ্যে, তারা এ বিশেষ বিসিএসে আবেদন করতে পারবেন। নতুন পদ সৃষ্টি, পদ বিলুপ্তি, পদোন্নতি কিংবা অন্য কোনো কারণে শূন্য পদের সংখ্যা পরিবর্তিত হতে পারে।
আগ্রহী প্রার্থীদের পিএসসি বা টেলিটক বাংলাদেশের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে। সাধারণ প্রার্থীদের আবেদন ফি ২০০ টাকা। ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী, প্রতিবন্ধী ও তৃতীয় লিঙ্গের প্রার্থীদের জন্য ফি ৫০ টাকা। এর সঙ্গে টেলিটকের ভ্যাট ও ডেটা যাচাই ফি বাবদ অতিরিক্ত ৫ টাকা দিতে হবে।
শিক্ষাগত যোগ্যতা অর্জনের প্রক্রিয়ায় থাকা প্রার্থীরাও এ পরীক্ষায় আবেদন করতে পারবেন। তবে তাদের সব লিখিত পরীক্ষা ২৫ অক্টোবর ২০২৬-এর মধ্যে শেষ হতে হবে। দেশি বা বিদেশি ডিগ্রির সমমানের সনদ এবং বিএমডিসি নিবন্ধনসংক্রান্ত প্রয়োজনীয় কাগজপত্র মৌখিক পরীক্ষার সময় জমা দিতে হবে।
সরকারি বা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে কর্মরত প্রার্থীদের যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে আবেদন করতে হবে।
এবারের বিশেষ বিসিএসে মোট ৩০০ নম্বরে প্রার্থী বাছাই করা হবে। এর মধ্যে ২০০ নম্বরের লিখিত এবং ১০০ নম্বরের মৌখিক পরীক্ষা থাকবে। লিখিত পরীক্ষা হবে বহুনির্বাচনী পদ্ধতিতে।
লিখিত পরীক্ষায় বাংলা, ইংরেজি, বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলিতে ২০ নম্বর করে এবং মানসিক দক্ষতা ও গাণিতিক যুক্তিতে ১০ নম্বর করে থাকবে। সংশ্লিষ্ট ক্যাডার বা পদের প্রাসঙ্গিক বিষয়ে থাকবে ১০০ নম্বর। প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য শূন্য দশমিক ৫০ নম্বর কাটা হবে।
পিএসসি জানিয়েছে, আগামী নভেম্বরের মধ্যে লিখিত পরীক্ষা নেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পরীক্ষা মূলত ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে পরীক্ষার শৃঙ্খলা ও প্রার্থিতার বিষয়ে সতর্ক করে বলা হয়েছে, কোনো ধরনের তদবির করলে প্রার্থিতা বাতিল হতে পারে। মিথ্যা তথ্য দেওয়া, সনদ জাল করা কিংবা পরীক্ষার হলে মোবাইল ফোন বা ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহার করে অসদুপায় অবলম্বন করলেও প্রার্থিতা বাতিল করা হতে পারে। এসব অনিয়মের ক্ষেত্রে ফৌজদারি ব্যবস্থা নেওয়া অথবা ভবিষ্যতের সরকারি নিয়োগ পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য অযোগ্য ঘোষণা করা হতে পারে।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।
আপনার মন্তব্য লিখুন