চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে অবৈধভাবে মজুদ করে রাখা ৪০৩ বস্তা ডিএপি সার জব্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন। এ সময় অভিযানের খবর পেয়ে প্রতিষ্ঠানের মালিক পালিয়ে যান।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে জীবননগর পৌরসভার দত্তনগর রোডে মেসার্স শান্তনা এন্টারপ্রাইজে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
জীবননগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুমাইয়া সুলতানা এ্যানির নেতৃত্বে উপজেলা প্রশাসন ও কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা যৌথভাবে অভিযান চালান। এ সময় প্রতিষ্ঠানের গুদাম তল্লাশি করে অবৈধভাবে মজুদ করে রাখা ৪০৩ বস্তা ডিএপি সার জব্দ করা হয়।
অভিযান সূত্রে জানা গেছে, প্রতিষ্ঠানটির সার বিক্রির বৈধ লাইসেন্স না থাকা সত্ত্বেও সেখানে সরকারি ডিএপি সার মজুদ ও বিক্রি করা হচ্ছিল। জেলার গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বিষয়টি জানতে পেরে উপজেলা প্রশাসন এ অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযুক্ত মেসার্স শান্তনা এন্টারপ্রাইজের মালিক আবুল কালাম আজাদ। তিনি জীবননগর উপজেলার কোর্টপাড়ার ফকির মুহাম্মদের ছেলে। অভিযানের খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।
জব্দ করা সারগুলো জীবননগর থানার হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
ইউএনও সুমাইয়া সুলতানা এ্যানি বলেন, নির্ধারিত নিয়মের বাইরে সার অবৈধভাবে মজুদ, কালোবাজারি কিংবা নিয়মবহির্ভূতভাবে বিক্রির কোনো সুযোগ নেই। সরকারি সার নিয়ে অনিয়মের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
জীবননগর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আলগীর হোসেন বলেন, জব্দ করা সারগুলো বর্তমানে থানার হেফাজতে রয়েছে। সরকার বাদী হয়ে নিয়মিত আইনে অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানের মালিকের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। জব্দ করা সার আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।
আপনার মন্তব্য লিখুন