সালমান এফ রহমানসহ ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে দুর্নীতি, অর্থ আত্মসাৎ, লুটপাট ও চাঁদাবাজির অভিযোগে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে ইন্ডিপেন্ডেন্ট টেলিভিশন ভবন ঘেরাও কর্মসূচি পালন করেছে বাংলাদেশ জনতা পার্টি (বিজেপি)।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বেলা ১১টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে থেকে দলের নেতাকর্মীরা মিছিল নিয়ে ইন্ডিপেন্ডেন্ট টেলিভিশন ভবন ঘেরাওয়ের উদ্দেশ্যে রওনা হন। কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেন বাংলাদেশ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা প্রেসিডেন্ট মিঠুন চৌধুরী।
জাতীয় প্রেসক্লাব এলাকা থেকে মিছিলটি সামনে এগিয়ে যাওয়ার সময় পুলিশ বাধা দিলে নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটে। একপর্যায়ে পুলিশের বাধা অতিক্রম করে নেতাকর্মীরা কর্মসূচির উদ্দেশ্যে সামনে এগিয়ে যান।
বাংলাদেশ জনতা পার্টির নেতারা বলেন, এ কর্মসূচি শুধু সালমান এফ রহমানকে ঘিরে নয়; ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে দুর্নীতি, জনগণের অর্থ আত্মসাৎ, লুটপাট ও চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে—এমন সকলের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের অংশ হিসেবে এ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।
দলটির নেতারা আরও বলেন, জনগণের অর্থ লুটপাট ও রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপব্যবহারের অভিযোগগুলোর সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে। অন্যায়, দুর্নীতি, অর্থ আত্মসাৎ ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে বাংলাদেশ জনতা পার্টির কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।
বাংলাদেশ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা প্রেসিডেন্ট মিঠুন চৌধুরী বলেন, “অন্যায় ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমাদের প্রতিবাদ অব্যাহত থাকবে। সালমান এফ রহমানসহ ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে যারা দুর্নীতি, অর্থ আত্মসাৎ ও চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে।”
তিনি আরও বলেন, “জনগণের অর্থ ও অধিকার নিয়ে কোনো ধরনের অনিয়ম মেনে নেওয়া হবে না। জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে বাংলাদেশ জনতা পার্টির কর্মসূচি ধারাবাহিকভাবে চলবে।”
কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন ক্যান্সার গবেষক ডা. এস এম সারওয়ার, ইসলামি সমন্বয় পরিষদের মহাসচিব ইঞ্জিনিয়ার এ বি এম এরশাদ, কবি ও সাহিত্যিক ইসমাইল হোসেন জনি, বাংলাদেশ জনতা পার্টির মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা সুমি আক্তার শিল্পী, দপ্তর ও প্রচার সম্পাদক মো. আরিফুর রহমান, পরিমল বর্মণ, সাহিত্যিক রমাকান্ত তালুকদার ও তাপস রায়সহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।
এ সময় দলের নেতাকর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ জনগণের একটি অংশও কর্মসূচিতে সংহতি প্রকাশ করেন বলে দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়।
দলটির নেতারা বলেন, অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ, দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ, অর্থ আত্মসাৎ ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে অবস্থান এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার প্রত্যয় নিয়ে বাংলাদেশ জনতা পার্টির (বিজেপি) কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।
আপনার মন্তব্য লিখুন