1 জন পড়েছেন
পিরোজপুরের খাল, বিল, ফসলি মাঠের চায়না দুয়ারি জালের দৌরত্ব, হচ্ছে মাছের সর্বনাশ
পিরোজপুর জেলা প্রতিনিধি
পিরোজপুরের খাল, বিল, ফসলি মাঠের পানিতে খেয়াল করলেই নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি জাল চোখে পড়ে। তবে প্রকাশ্যে কোথাও এটি বিক্রি হতে দেখা যায় না। একশ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী সুতা বেচাকেনার আড়ালে এ জাল বিক্রি করছেন। কিন্তু উপজেলা প্রশাসনের এ নিয়ে কোনো তৎপরতা নেই।
বর্ষা মৌসুম শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে উপজেলার খালবিল, ফসলি মাঠের পানিতে তারা চায়না দুয়ারি জাল পাতা শুরু করেছেন। এতে নির্বিচারে পোনা মাছসহ মা মাছ ধরা পড়ছে।
বর্ষা মৌসুমে উপজেলার বিভিন্ন হাটবাজারে মিলছে দেশীয় পোনা মাছ ধংষ করার চায়না দুয়ারি জাল।
ইন্দুরকানী সদর ইউনিয়নের বাসিন্দা আনিছুর রহমান বলেন, মৌসুমি জেলেরা চায়না দুয়ারি জাল দিয়ে মাছের ডিম থেকে শুরু করে সব ধরনের মাছ বিক্রি করায় এখন পুকুরেও মাছ ঢোকে না।
জিয়ানগর উপজেলার উওর ভবানীপুর গ্রামের আলম বলেন, আগে বর্ষা মৌসুমে ফসলি মাঠের বা বিলের অনেক মাছ পুকুরে ঢুকত। এখন মৌসুমি জেলেরা ফসলি মাঠে পানি আসার সঙ্গে সঙ্গে চায়না দুয়ারি দিয়ে পোনা মাছ ধরে মাছের বংশ বিস্তার নষ্ট করে। প্রশাসন যদি নিয়মিত অভিযান চালায় বা এ জালের বিরুদ্ধে মাইকিং করে, তাহলে এভাবে চায়না দুয়ারি জান দিয়ে মাছ ধরা অনেকটাই বন্ধ হয়ে যাবে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন মৌসুমি জেলে বলেন, জিয়ানগর বাজারের ছয়-সাতজন অসাধু, ব্যক্তি অবাধে প্রতিদিন চায়না জাল বিক্রি করছেন।
সাধারণত কেউ এ জাল বিক্রি করতে বাধা দেয় না, কেউ প্রতিবাদ করতে সাহস পান না।
যোগাযোগ করা হলে তারা সবাই চায়না দুয়ারি জাল বিক্রির কথা অস্বীকার করেন। চায়না দুয়ারি জাল বিক্রেতা মুরাদ মোল্লা বলেন, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তারা আমার চায়না দুয়ারি আটকের পর আমি এ ব্যবসা বন্ধ করে দিয়েছি।
জালাল শেখ বলেন, এলাকায় বর্ষা কম হওয়ায় চায়না দুয়ারি তেমন চলে না। এ কারণে এখনও এ জাল আনিনি। আসলাম ও সাইম বলেন, আমরা চায়না দুয়ারি বিক্রি করা বন্ধ করে দিয়েছি।
“
পিরোজপুরের খাল, বিল, ফসলি মাঠের চায়না দুয়ারি জালের দৌরত্ব, হচ্ছে মাছের সর্বনাশ
—