সিলেটের জৈন্তাপুরে তামাবিল মহাসড়কে দ্রুতগতির গেইটলক বাসের ধাক্কায় সিএনজিচালিত অটোরিকশার এক যাত্রী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় নিহতের মা গুরুতর আহত হয়েছেন।
সোমবার (২৪ আগস্ট) বেলা পৌনে ১১টার দিকে উপজেলার পানিছড়া এলাকায় হরিপুর গ্যাসফিল্ডসংলগ্ন ইয়াকুব আলী চেয়ারম্যানের বাড়ির গেটের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত তরুণীর নাম নুসরাত (১৭)। আহত হয়েছেন তার মা ইতি আক্তার (৫০)। তাদের গ্রামের বাড়ি ঢাকার কদমতলী থানার ১৭৮ পূর্ব ধোলাইপাড় এলাকায়। নুসরাতের বাবার নাম আব্দুল মতিন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে নুসরাত ও তার মা সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে জাফলংয়ের দিকে যাচ্ছিলেন। পথে বিপরীত দিক থেকে আসা সিলেটগামী একটি দ্রুতগতির গেইটলক বাস অটোরিকশাটিকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই নুসরাতের মৃত্যু হয়। গুরুতর আহত হন তার মা ইতি আক্তার।
পরে স্থানীয়রা আহত ইতি আক্তারকে উদ্ধার করে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।
জৈন্তাপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান মোল্লা দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, খবর পেয়ে জৈন্তাপুর মডেল থানা পুলিশ ও তামাবিল হাইওয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহতের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে। পরে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরও জানান, দুর্ঘটনার পর মহাসড়কে কিছু সময় যান চলাচল ব্যাহত হলেও বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
এদিকে দুর্ঘটনার ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। তাদের অভিযোগ, তামাবিল মহাসড়কে দীর্ঘদিন ধরে দূরপাল্লার যানবাহন বেপরোয়া গতিতে চলাচল করছে। বিশেষ করে পর্যটন মৌসুমে যানবাহনের চাপ বাড়ায় দুর্ঘটনার ঝুঁকিও বেড়ে যায়।
স্থানীয়রা মহাসড়কে দ্রুতগতির যানবাহন নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি ট্রাফিক নজরদারি আরও জোরদারের দাবি জানিয়েছেন।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।
আপনার মন্তব্য লিখুন