বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) হাই পারফরম্যান্স (এইচপি) ইউনিটকে নতুনভাবে সাজানোর পরিকল্পনা নিয়েছে। তিন-চার মাসের ক্যাম্পের পরিবর্তে এবার সারা বছর এইচপি কার্যক্রম চালু রাখার পরিকল্পনা করা হয়েছে।
নতুন পরিকল্পনায় ক্রিকেটারদের অনুশীলন, ফিটনেস ও পারফরম্যান্স নিয়মিত পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি বিশেষায়িত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে। জাতীয় লিগের পর এইচপির মূল স্কোয়াড ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন ইউনিটটির প্রধান কোচ মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন।
এক সাক্ষাৎকারে সালাহউদ্দিন জানান, এইচপির মূল লক্ষ্য শুধু জাতীয় দলের জন্য বিকল্প খেলোয়াড় তৈরি করা নয়। বরং তরুণ ক্রিকেটারদের আন্তর্জাতিক মানের খেলোয়াড় হিসেবে গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে।
পেসারদের উন্নয়নে আলাদা একটি ইউনিট গঠনের পরিকল্পনা রয়েছে। সেখানে প্রায় ২০ জন তরুণ পেসারকে নিয়ে কাজ করা হবে। এই পেসারদের বিপক্ষে এইচপি ও জাতীয় দলের ব্যাটসম্যানদের অনুশীলনের সুযোগও থাকবে। ইতোমধ্যে ছয়জন পেসারকে নিয়ে এইচপির পুনর্বাসন কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
সালাহউদ্দিন জানান, পেস বোলিং ইউনিটের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হবে খেলোয়াড়দের ফিটনেস আরও উন্নত করা। এ জন্য পেসারদের জন্য আলাদা কোচিং স্টাফ ও প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা রাখার পরিকল্পনা রয়েছে।
এইচপির কোচিং প্যানেলে ১২ থেকে ১৩ জন কোচ থাকার পরিকল্পনা করা হয়েছে। ব্যাটিং, বোলিং ও ফিল্ডিং বিভাগে একাধিক কোচের পাশাপাশি তরুণ স্থানীয় কোচদের দক্ষতা উন্নয়নের উদ্যোগও নেওয়া হবে। বিশেষ প্রয়োজনে বিদেশি বিশেষজ্ঞদের নিয়ে স্বল্পমেয়াদি ক্যাম্প আয়োজনের পরিকল্পনাও রয়েছে।
এদিকে মিরপুর একাডেমি মাঠে নতুন করে ২০টি উইকেট তৈরির পরিকল্পনা করা হয়েছে। ক্রিকেটারদের জন্য আন্তর্জাতিক মানের জিম ও সুইমিংপুলের সুবিধা নিশ্চিত করার উদ্যোগও রয়েছে। ভবিষ্যতে এইচপির কার্যক্রম পূর্বাচলে স্থানান্তরের পরিকল্পনা রয়েছে বিসিবির।
ঘরোয়া ক্রিকেটে ব্যস্ত থাকলেও এইচপির ক্রিকেটারদের ফিটনেস ও পারফরম্যান্স নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করবেন কোচেরা। দেশে-বিদেশে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের পাশাপাশি সারা বছর নির্ধারিত মানের অনুশীলন ধরে রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।
আপনার মন্তব্য লিখুন